ফিরতি পথে
অন্ধ বিশ্বাস পরিপূর্ণ হোক নিষ্ঠায়
নীল রাস্তা কতদূর গেলে সবুজ
যা জানো সেই কি সবই
যা মানো সত্যিই কি তা জানো
খোঁজো অঙ্গপ্রত্যয়, সিঁড়ির ভাঁজে উষ্ণতম মেরু
কে তুমি নিবিড় ভ্রান্ত কলরব
কে তুমি একবচনের আড়ালে গুটিপোকাপ্রাণ
দেখি অনুভবের গা ঝেড়ে
একটি হলদে সিগনাল
ক্রমশই ধেয়ে নামে লাল
নয় কুয়োবন্দি বংশজাত
নয় বাঁশবনের মুখ্য চারপেয়ে
তুমি সহায়সম্বল, কিছু তুলোফাটা বালিশের
ফিকে সমান্তরাল, কিছু নখওঠা আঁচড়ের
তবু হে জাতক
এক বছর কোলিয়ারি দ্যাখোনি
ভাগ্যিস একটি দেয়াল উঠেছিল মাঝে
ভাগ্যিস কিছু পেরেকের জংমুখ
হোক সে উপলক্ষ অথবা অজুহাত
আসলে মানুষ মানুষই
পোষ্য লোমে দিনান্তে চলে বিরহ-অসুখ
খুব সাম্প্রতিক আকাশপানে চেয়েছিলে
কিছু একাকী টাওয়ারের বিপন্নতা মাপবে বুকে
একটি তোবড়ানো প্লাস্টিকের বল নির্লিপ্তে গড়িয়ে শেখায়
যতই জমুক নির্ণয়কর সুপ্ত বাসনা
আর যতই গাঢ় হোক আংশিক ভেজাল দুধ
আমাদের ঘাড়উঁচুগুলো বরাবর
কিছু না কিছুর পতন
হে খাদক, মতান্তরে কান পাতো
কতকাল আয়না দ্যাখোনি ভুলেছো
অথচ রোজই আয়নার মুখে দুদণ্ড প্রশ্রয়
আয়না, সেই যে এক বিস্তীর্ন গতিবেগ
যার শিয়রে বসে থাকতো কয়েকটি পায়রা
খুব ধীরে দানা ঝেড়ে ফেলেছো...
আচ্ছা এরপর যদি আবারও দেখা হয় কখনো
যদি আবারও অতর্কে শুনে ফেলি আর্তনাদ
যদি আবারও হানা দিয়ে ডাকবাক্সে
চাও জোড়াতালির নিস্তেজ
কী মনেহয় থাকবে তখন বিচার্য
কী মনেহয় মতাদর্শে উন্মুক্ত প্রবেশ-দ্বার
তুমি ভাল বোঝো নাগরিক উদাসীনতা
আপাতত চলুক শুধুই চৌকাঠ উদ্ধার
এ বৃত্ত বড় দুর্ভিসহ, অতলান্ত
পর্দার তলে পর্দা সাজানো প্রান্তর
জলছাপ উধাও
স্মরণে ভাঙা সাঁকো
তবু অন্তর থাকে, কাঁটাচামচ অন্তর...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন