সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

মার্চ, ২০১৭ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

একটি কবিতা : আবির গোস্বামী

সেল গলাকাটা ব্লাউজ সেলের বাজারে সস্তা-- আজকের রাত যেন   উমার মায়ের নবমী। পাশে গলাবাজি, মাইকে ঢুকতে ঢুকতে ছিঁড়ে যাচ্ছে নেতাদের স্বরতন্ত্রী। কালবৈশাখীকে ভয় পেতে দেয় না ...

একটি কবিতা : সোনালি মণ্ডল আইচ

কোকিল মজা পুকুরের পানা তুলি গহীন গাঙ কাজের ছলে আকাজগুলি নিয়ম ভাঙ । অনুভূতির ভোঁতা ছুরি অনেক পোঁচ মাঞ্জা সুতোয় আটকে ঘুড়ি কোথায় কোচ । কারা কেন ঝলমল করে পলাশ এলো ? ইচ্ছেগুল...

একটি কবিতা : শুভঙ্কর চৌধুরী

বিদায় বসন্ত ভুলে গেছি আমি তোমায় মনে রাখতে খরের চাল এখনো ভিজে আছে আমার আকাশে। নাতিশীতোষ্ণ বিকেলে আমি শুধুই পাতা ঝরাই , তুমি বুঝবে না মৃত কোকিলের আর্তনাদ কত গভীর । সূর্যে...

একটি কবিতা : মঞ্জু ব্যানার্জী রায়

এক প্রেমিকা বহু প্রেমিক মোহ আবাসনের এক্সেলেটর                রসান্বীত প্রত্যাশার বৃত্তে ভরপুর আশার হিমালয় থেকে গড়িয়ে পড়ছে শোক তাপ গভীর উল্লাস পাগলপারা । নিজ নিজ ভাবন...

একটি কবিতা : মুন্না চক্রবর্তী

একুশকে দেখেছি তুলসীতলায় প্রদীপ শিখায় দেখেছি । রমজানের পবিত্র চাঁদে গীর্জার ঘন্টায় শুনেছি । ঝরণা জলে দূর বহুদূর থেকে এসেছে বুকের কাছে একুশকে দেখেছি সকল ধর্মের উপলব্ধ...

একটি কবিতা : অর্পন গুপ্ত

কারণ তারা কবিতা লিখত কারণ তারা কবিতা লিখতো। প্লাতা নদীর চড়ায় দুটো গেলাস নিয়ে তারা দিগন্তে আঁকিবুকি দিতো মাস গেলে নদী থেকে জল তুলে সেরে নিত তর্পণ। কবিতা লিখতো ! দুটো ছিপ ফ...

সম্পাদকীয় ১/৪

শূন্য তাপাঙ্ক প্রতি মাসের নতূন নতূন ভাবনা নিয়ে প্রকাশিত হয়। এবারেও সেই ধারা বজায় রেখে প্রকাশিত হল আমাদের বিশেষ ' সিরিজ কবিতা' ও ' গুচ্ছ কবিতা ' সংখ্যা। সাথে আছে কবি অনিন্দ্...

স্মরণ : দীপঙ্কর দত্ত

শূন্যকাল ব্লগ পত্রিকার সম্পাদক কবি দীপঙ্কর দত্ত র অকাল প্রয়াণ, আমাদের গভীর ক্ষত, আমরা মর্মাহত। শূন্য তাপাঙ্ক টিম, অনিন্দ্য রায়   শুভদীপ সেনশর্মা  সম্পর্ক মণ্ডল

ধারাবাহিক গদ্য (পর্ব-২) : অনিন্দ্য রায়

আমাদের নব্বই , আমাদের হইচই “কোথা থেকে এলাম আমি, কে সৃষ্টি করল আমাকে, আমাদের, কে সৃষ্টি করল এই বিশ্ব, এই ব্রহ্মান্ড ?” মানুষের চিরন্তন জিজ্ঞাসা এইসব। সভ্যতার আদি থেকে মানষে...

একটি কবিতা : সুবীর সরকার

সিঁড়ি কাদাপানিতে হাঁটু ডুবে যেতে চায় লিখে রাখিস অতিক্রমের ইতিহাস চাঁদের আলোয় বেতারসংবাদ হাঁস ও হাসি জায়গাবদল করলে সাধারণ দৃশ্যে সাদামাটা ঘাটের সিঁড়ি

একটি কবিতা : অর্থিতা মণ্ডল

তিথি অমাবস্যার রাতে ফিরে যেতে চেয়েছিলেন অনেকেই অথচ অন্ধমুনি কিছুটা প্রতিশোধ নেবেন বলেই হয়তো তাঁর হাত দীর্ঘ করলেন, যজ্ঞের আগুন নিভে গেছে একটা দৃশ্যের ভেতর অকস্মাৎ ঝুল...

একটি কবিতা : দীপ্তি চক্রবর্তী

লুব্ধক ভূমিরেখায় মধ্যবিন্দুর কোণ বরাবর দাঁড়িয়ে একসারি পপকর্ন বিকেল ছেদবিন্দু ভেদ করে বিষণ্ণ গোধূলি আলতা মাখানো সন্ধ্যার দিকে এগিয়ে যায় মজুত খাবারে মুরগিদের কত...

একটি কবিতা : সুচরিতা মণ্ডল

ধুনুচির আগুন ফিরে যাবার আগে দিয়ে যাও মাধুর্যের শেষ কণা টুকু... অকৃপণ হও। কাছে এসে বসো মুক্ত হোক বন্দি অন্ধকার, চেনা গন্ধ খুঁজে পাক ব্রাত্য স্পর্শসুখ ধুনচির আগুন জ...

অলংকরণ : সৌরভ মৈত্র

দুটি কবিতা : সৌভিক মারিক

১ একটি পবিত্র বিস্ময় কবি। তুমি মৃত, বোবা প্রেমিকা দুহাত আর বুক দিয়ে আগলে রাখা তোমার ইচ্ছেরা খুধার্ত চোখে বসন্তের রং। পাঞ্জাবীর ছেঁড়া পকেট ত্রিকোন করে নাভি ঢেকে খেতে চা...

দুটি কবিতা : অভিজিৎ পাল

১ ফটোগ্রাফি   ডাস্টবিনে ভালো খাবারের টোপ নিরন্তর ক্যামেরা ধরে বসে আছে বুদ্ধিজীবী ফটোগ্রাফার ক্ষণমান অপেক্ষাযাপনের পর টোপ গিলে নেয় ক্ষুধার্ত শিশুর মুখ  খুঁটে খুঁটে ...

দুটি কবিতা : স্বর্ভানু সান্যাল

১ মেখলা, তুমি মেখলা, তুমি একলা বিকেলে আমার সাথে বৃষ্টিতে ভিজেছিলে                মনে পরে? মেখলা, তোমার হাতের নরমে আমার হাতকে আশ্রয় দিয়েছিলে               যত্ন করে। মেখলা, ত...

দুটি কবিতা : পারমিতা চক্রবর্তী

১ মাকড়শার চোখ পর্দার বুকে আটকে মাকড়শার  বড় চোখ  মেছো বিড়াল হেঁটে যায় হ্যামিলটনের জমিদারি দিয়ে  ওরা মেঘ , প্রাণী না  এবড়ো খেবড়ো জঞ্জাল পেরিয়ে ... আয়েস করে ... হোটেল ...