কুমির বৃত্তান্ত : বিপ্লব রায়
কবিতা ভাবের বিষয়, তা বুদ্ধির সীমানা পেরিয়ে বোধের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়- বলেই হয়তো কবিতার ব্যাখ্যা সম্ভব নয়, কারণ কবিতা গণিত বা ব্যাকরণ নয়। কবি বিপ্লব রায়ের “কুমির বৃত্তান্ত” কাব্যগ্রন্থে শিকড় বিচ্ছণ্ণতার সঙ্গে চিত্রিত হয়েছে সূর্যোদয়ের এক ব্যতিক্রমী চিত্র। তার কাব্যপ্রেমের অগাধ গভীরে অন্ধকারময় বাস্তবের রূপ, মিথের সযত্ন ব্যবহার, তীব্র প্রতীকায়ন যেন কোনো অনন্য কুহকের ডাকে এক আরেক জীবনের ডাকে এ জীবন সৃষ্টির কারুকার্যমাখা।
"আত্মস্থ করেছি মুখ আর মুখোশ বিষয়ক বিদ্যা"
বা কবি যখন বলেন,
'চলে সাপ- লুডো বিষয়ক দুরভিসন্ধি'
কবি জীবনানন্দের সুস্পষ্ট ছাপ লক্ষ্য করা গেলেও মন আবিস্কার করে নতুন আর এক কবি জীবনানন্দকে।
একথা স্বীকার করতে হবে যে সৃষ্টির জন্মদাতা যন্ত্রণা আর তাকে গভীর ও ব্যাপক করে তোলে অতৃপ্তি ,বিক্ষত অনুভুতি,বোধ যার ফলে কবি নিজের হৃৎপিন্ডটি নিংড়ে কবিতার রূপ দেন। যদিও কাব্যের শেষে নিজস্ব স্বকীয়তায় কবি কণ্ঠে উচ্চারিত হয়েছে এক নতুন আশার কথা-
'ভয় পেও না, জলে ডুবতে ডুবতে হাত নাড়ব''
কাব্যগ্রন্থ : কুমির বৃত্তান্ত
লেখক : বিপ্লব রায়
প্রকাশক :
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন