ছায়া
হঠাৎ চলতে চলতে নিজের মতোই কাউকে দেখা, দীর্ঘক্ষণ আমার পাশে পাশে অবিরাম চলতে থাকা,যে দিকেই যায় সেদিকেই তার ছায়া,বাইরে,প্রগাঢ় নীরবতা, নিজের সাথে নিজেরই বোঝাপড়া,মাঝরাতে জ্যোৎস্না আলোয় দেখি আমার পাশে রয়েছে, আমারই ছায়া,আমি কি নিজেরই কোনো ছায়া?তুমি আর আমি মিলে,আমার ছায়া আর আমি যৌথ মিলে আমার এই রচনা প্রস্হানকালের রঙিন স্মারক।
যবনিকা
চোখ বুজে পড়ে থাকা একটি নিথর শরীরের শিরা থেকে ঝরে পড়া রক্তে মাছিদের ভন ভন নৃত্যে,বাতাসের গন্ধে, রক্ত পিপাসু কুকুরের জিভের তৃষ্ণা মিটিয়ে কোনো একললনিকার জীবন উৎসবে যবনিকা সাদাথান পড়ে মর্তের কাল সমুদ্রে অবগাহনে সহস্র মানুষের নিপীড়ন আস্বাদ করে ভুল কামনার দুই ঠোঁটে যৌবনের যবনিকা-সূর্যাস্তের সাথে সময়ের মিলে বন্ধ ঘরের কাঁচে
শুকানো গোলাপের যবনিকা।
যবনিকা ২
সময়ের কাছে হেরে একটি মানুষের মৃত্যুতে জেগে ওঠে অরণ্যে অগ্নি আকাশে বাতাসে অশনি, ওই নিথর দেহটি চারটি মানুষের কাঁধে বাঁশের ওপর শুয়ে শেষ যাত্রার সঙ্গী মুখে হরিবোল সঙ্গীত আওড়াতে আওড়াতে খৈ ছিটিয়ে সব মায়াকে দূরে সরিয়ে কালের ডাকে কাল নিদ্রায় শুয়ে এপারের লোভ ত্যাগ করে ওই অস্তাচলে সূর্যের কাছে পৌঁছে নতুন জীবন...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন