বাবাকে নিয়ে লেখা একটি কবিতা
এই কবিতাটা অনেকদিন আগেই লেখা হয়ে গেছে হয়তো বলতে গেলে আমার জন্মেরও আগে থেকে কবিতাটি সে সময় অনেকে শুনেছে এবং অনেকেই পড়েছে,যে পড়েছিল , চোখের জ্যোতিতে তার হীরক দ্যুতি মেখেছিল। যে শুনেছিল,তার মুখে রৌদ্রচ্ছটা মাখানো হয়েছিল ভীত মানুষ হটাৎ কেমন করে যেন সাহসী হয়েছিল বুকের ভিতর একটা আগুনের হল্কা বাতাসে ছড়িয়েছিল। আর অন্ধেরা টগবগ করে আশার ঘোড়ায় চেপে বসেছিল !
তাদের দুচোখে ছিল স্বপ্ন আর আশা কেউ কেউ প্রতিশোধ নেবে বলে মুখিয়ে উঠেছিল আর এই কবিতাটি পাঠ করে আমার মা পেয়েছিলেন গর্ভ
দশমাসের মাথায় মা জন্মদিয়েছিলেন যে শিশুকে তার নাম ভারতবর্ষ। আমি আজও সেই কবিতাটি পড়ি। আমি তবুও আমাদের কবিতাটি শুনি। আমার বাবাকে নিয়ে লেখা একটি কবিতা। এবারের আন্দোলন নতুন করে শুরু হোক !
বাড়াবাড়ি
বাড়াবাড়ি করলে গুম করে লাশ ফেলে দেওয়া হবে বাঁকার জলে। বাড়াবাড়ি করলে পকেটমার সাজিয়ে গণপিটুনি দেওয়া হবে। বাড়াবাড়ি করলে হাওয়ায় মিলিয়ে যাবে সব।দামোদরের জলে ভেসে উঠবে দেহ। বস্তায় ভরা পচা গলা দেহ। পরে সংবাদ সম্মেলন এবং সেখানে জানানো হবে স্ত্রীর সাথে মনোমালিন্য করে বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর --- দলের কোনো সদস্যপদের মালিক না। কেউ থাকবে না পাশে। এমনকি যারা এতদিন সাহায্য পেয়েছিল তারাও ভয় পেয়ে ঘরে ঢুকে যাবে। দু একজন হয়তো বলবে , যে দলটার সদস্য ছিলেন এতদিন মৃত্যুর আগে আপনি সেই দলটাকে সবথেকে ঘৃণা করে গেছেন।
মিথ্যার মিথকে ভাঙা বিষয়ক পদ্য
সত্যের জন্য তুমি সর্বদা আছো নির্ভেজাল সত্যের মন্দিরে।মিথ্যার মিথকে ভাঙতে ভাঙতে তুমি এতদূর এসেছো। অবাক কোনও মায়াজাল বা অবাস্তব ঘটনা নয়।
হৃদয় আকুল করা অনুভবে অন্ধকার ভেঙে চুরমার করে। তুমি যেন আলোময় প্রভাত। জ্যোৎস্না রাত থেকে ঝরে পাখির কলতান সবখানে সমস্তকিছুই তুমি।
সবুজ ঘাসে ঢেউ তুলে চলে যাওয়া নৌকা অথবা ঝর্ণার ছলছল বহে যাওয়া ,নদীর দিক হারানো,কিংম্বা উদাস দুপুর - সবই তোমার রামধনুর সাত রং। সেতারের টুং টাং যেন কি করে বলে ওঠে ,সে কখনও মিথ্যাকে আশ্রয় দেয় নি কাছে। তাই আমাদের তুমি,হে সত্য আছো। এই পৃথিবীর যে টুকু আমার শুধু সেটুকু থাকুক! মিথ্যার মিথ ভেঙে আমি যেন মগ্ন হই পরম সত্যের কাজে। কস্টকল্পিত স্বপ্ন তাই দূরে চলে যায় ,শুদ্ধতায় মন ভরে ওঠে।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন