শিকড়
কত নিচে গেলে শিকড়ের বাপ ও মায়েরা থাকে? উত্তর খুঁজতে চেয়ে ভূকেন্দ্রে এসে দেখি সবকিছু দোদুল্যমান, আর স্বয়ং ঈশ্বর আকাশের দোহাই দিয়ে ঘামটি মেরে বসে। এখন ওজনহীন আমি ঈশ্বরের শিকড় চিনে মাথা খুঁজছি আর পৃথিবীর মানুষসব আকাশে তাকিয়ে শুধু ধূর্ততার কাছে ভালোথাকা ভিক্ষে করছে।
স্তনরূপ
না-চাওয়াই শ্রেয় জেনে যে শিশু স্তনের কাছে ঘুরঘুর করে , ঘ্যানঘেনে হয় তার ঠোঁট ও জিভের ভাষা ভ্যানগখ জানে, আর তাই নবনীল আকাশের নিচে পৃথিবীর সব সূর্যমুখী মৃত্যুতক স্তনরূপ ধরে ।
ভার
এই যে প্রারব্ধ ভার তাকে তুমি যেভাবেই নাও আমি তাকে প্রস্রাব ভাবি আর রাতের অতল তৃষ্ণা ঝরঝরে ভোর হয়ে ফুটে ওঠে গাছে গাছে , তোমার চুমুতে ।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন